রাজ্যে ফের সক্রিয় হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। আজ সকাল থেকেই একাধিক জায়গায় অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে যে, বালি এবং কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলার তদন্তে এই অভিযান চালানো হচ্ছে। তদন্তে নেমে মোট ৯ জনের নাম সামনে এসেছে। যাঁদের মধ্যে রাজ্য পুলিশের এক আধিকারিকও রয়েছেন। আজ সকালে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছান ইডি আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে যে, কয়লা পাচার চক্রে প্রোটেকশন মানির যে লেনদেন হয়েছিল, তার সঙ্গে মনোরঞ্জন মণ্ডলের কোনও যোগ থাকার অভিযোগ রয়েছে। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পাচারকার্যে সাহায্য করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। আজ সকালে দুর্গাপুরে নিজের বাড়িতেই তিনি ছিলেন। তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা আজ সকাল থেকেই কলকাতা-সহ রাজ্যের মোট ৯টি জায়গায় ইডির অভিযান চলছে। সেইসঙ্গে জানা গিয়েছে যে, দিল্লির কয়েকটি এলাকাতেও ইডির একটি দল তল্লাশি চালাচ্ছে। কয়লা পাচার চক্রের বিরুদ্ধে চলা তদন্তকে আরও জোরদার করার জন্যেই এই সমন্বিত অভিযান। তদন্তকারীদের দাবি যে, আগের অভিযানে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্রমাণ ঘাঁটা ঘাঁটি করার পারে এই নামগুলি সামনে এসেছে। নামের তালিকায় রয়েছেন শেখ আখতার, প্রবীর দত্ত, কিরণ খান, মির্জা নিজামুদ্দিন, অমিত বনশল ও চিন্ময় মণ্ডল। ইডির মতে, চিন্ময় মণ্ডল নামের ব্যক্তিই এই পাচার চক্রের অন্যতম মূল চরিত্র ছিলেন।
