নিজস্ব সংবাদদাতা,আরএনবি: শাসনের গোলবাড়ি থানার দাদারমোড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির।এই মর্মান্তিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল এলাকাজুড়ে।ঘটনার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।মৃতদেহ আটকে রেখে শুরু হয় বিক্ষোভ।এলাকাবাসীর দাবি,বিদ্যুৎ দফতরের গাফিলতির কারণেই এই দুর্ঘটনা।অবিলম্বে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে মৃতের পরিবারকে।বিক্ষোভ সামাল দেওয়ার বদলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে পুলিশের হস্তক্ষেপে।রক্ষকই সেখানে ভক্ষকের ভূমিকা পালন করে।অভিযোগ,বিক্ষোভকারী এবং আহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করার কোনও চেষ্টা না করেই পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে।এবং বেশ কিছু জনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ।লাঠি চার্জের ফলে আহত হন একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা।স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা ও তাদের আচরণ নিয়ে।স্থানীয়দের বক্তব্য,“মৃত্যুর পর আমরা ন্যায্য দাবিতেই রাস্তায় নেমেছিলাম।প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ না দিয়েই লাঠিচার্জ করা হল।”পুলিশের এই পদক্ষেপে ক্ষোভ আরও বেড়েছে এলাকাজুড়ে।ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে ক্ষতিপূরণ বা ঘটনার দায় স্বীকার করে কোনও স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়নি।বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর মতো গুরুতর ঘটনায় পুলিশের এই কঠোর আচরণ নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করছে।
