নিজস্ব সংবাদদাতা, আরএনবি : উদয়নারায়ণপুরের উন্নয়নে বিধায়ক সমীর কুমার পাঁজা-র উদ্যোগে স্বপ্ন বাস্তবায়িত । ছাত্র জীবন থেকে নানান অপকর্ম প্রত্যক্ষ করেছেন তিনি পারিবারিকভাবে কংগ্রেস সমর্থক পরিবেশে বড় হলেও সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক বাস্তবতা অনুধাবন করে তিনি উন্নয়নের রাজনীতিকেই প্রাধান্য দেন। সেই পথেই তিনি অনুপ্রাণিত হন বাংলার জননেত্রী মমতা ব্যানার্জি-র সংগ্রামী নেতৃত্বে।
গত কয়েক বছরে উদয়নারায়ণপুরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কয়েকশো কোটি টাকা ব্যয়ে বকপাতা দামোদর নদী-র ওপর আধুনিক সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও একাধিক খালের ওপর নতুন ব্রিজ তৈরি হয়েছে ।
উদয়নারায়ণপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা বেড়ে শতাধিক ছাড়িয়ে গেছে। সেখানে ইউনিট কেয়ার তৈরি করা হয়েছে।হরিশপুর, কানুপাট, ভবানীপুর, পাঁচারুল, রামপুর, মাতোর ও খোশালপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসা করছেন , ফলে সাধারণ মানুষ সহজে স্বাস্থ্য পরিষেবা পাচ্ছেন। জয়নগরে বৈদ্যুতিক চুল্লির কাজও দ্রুত এগোচ্ছে।
এই উন্নয়নের সুফল কেবল উদয়নারায়ণপুরেই সীমাবদ্ধ নয় উপকৃত হচ্ছে আমতা, খানাকুল, জাঙ্গিপাড়া, জগৎবল্লভপুর, বড়গাছিয়া ও ডোমজুড়-সহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা।
পেঁড়ো ব্রিজের মাটি পরীক্ষা হয়ে গেছে ।এই উন্নয়নের সুফল কেবল উদয়নারায়নপুরেই সীমাবদ্ধ নয়, আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহতি থাকবে। এই প্রত্যাশায় আজ এলাকার মানুষের মুখে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগে একটা বড় উন্নয়ন একটা পালক যোগ হয়েছে, এলাকা তথা এলাকার বাইরে এই বিধানসভা কে ছাড়িয়ে বহু বিধানসভার উন্নতি প্রকল্পে সহায়তার জন্য জয়নগর ব্রিজের পশ্চিম পাশে একটি শবদাহের জন্য ইলেকট্রিক চুল্লি অনুমোদন হয়েছে। যেটার কাজ কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হবে। “দামোদর বাঁধ উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার কৃষি উন্নয়ন আর সেই সঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে সমীর বাবুর প্রভাব প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে আছে। এমনটাই এমনটাই জানালেন হরিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লিপা চৌধুরী।”
