আজ রাজ্য সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে এটিই হল তৃতীয় মমতা সরকারের শেষ বাজেট। ফলে নবান্ন সূত্রে স্বাভাবিকভাবেই জনকল্যাণমূলক ঘোষণায় জোর থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, ভোট অন অ্যাকাউন্ট হলেও রাজনৈতিকভাবে এই বাজেট অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। গত কয়েকটি বাজেটের মতোই এই বাজেটেও সাধারণ মানুষের কৌতূহল মূলত দু’ই বিষয়েই রয়েছে। সেটি হল, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকা ঠিক কতটা বাড়বে, আর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা অর্থাৎ ডিএ নিয়ে ঠিক কী ঘোষণা হয়। মহিলা ভোটব্যাঙ্ক ও সরকারি কর্মচারীদের অসন্তোষ, এই দুই দিক সামলানোর জন্যেই এই বাজেটে বাড়তি গুরুত্ব দিতে পারে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর যে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে এই বাজেটে। বর্তমানে জেনারেল ক্যাটেগরির মহিলারা মাসে ১,০০০ টাকা ও তফসিলি জাতি এবং উপজাতিভুক্ত মহিলাদের মাসে ১,২০০ টাকা করে দেওয়া হয়ে থাকে। ভোটের বছরেই এই টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে মহিলা ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা হতে পারে। সেইসঙ্গে ডিএ অন্তত ৪ শতাংশ করে বাড়তে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। সপ্তম বেতন কমিশন গঠন নিয়েও আলোচনা একদম তুঙ্গে। যদিও ডিএ মামলার রায় বাজেট ঘোষণায় অনেকটাই প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, শুধু এই দু’টি নয়, একাধিক ক্ষেত্রে সুখবর আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অঙ্গনওয়াড়ি থেকে শুরু করে আশা কর্মী, হোমগার্ড , সিভিক ভলান্টিয়ার এবং অন্যান্য অস্থায়ী কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধির হওয়ার সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ নিয়োগ অথবা মধ্যবিত্তদের স্বস্তিতে করছাড়ের মতো কোনও ঘোষণাও থাকতে পারে এই বাজেটে।
